• ৫ই এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ২২শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ৭ই শাওয়াল, ১৪৪৬ হিজরি

সিলেট এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলা

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলবে, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত

AMZAD
প্রকাশিত ১৮ মার্চ, মঙ্গলবার, ২০২৫ ০০:৩৮:২৮
<h6>সিলেট এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলা</h6> <h4>দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলবে, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত</h4>

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে করা আবেদন প্রত্যাহার করায়, মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে চলবে। সোমবার (১৭ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, আর রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল কাইয়ুম, ব্যারিস্টার ওমর ফারুক ও ব্যারিস্টার কামারুন মাহমুদ দীপা।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে তাঁর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহ পরান থানায় মামলা করেন। পরে, ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর পুলিশ আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

ভুক্তভোগীর স্বামী মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের জন্য হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি শেষে ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ৩০ দিনের মধ্যে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বদলির নির্দেশ দেন।

এই মামলায় ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠন করে। অভিযুক্তরা হলেন—সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক), অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন (আইনুল), মিসবাউল ইসলাম (রাজন), রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান (মাসুম)।

এছাড়া, একই ঘটনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে পৃথক মামলা হয় এবং ২০২২ সালের ১১ মে এতে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে দুটি মামলা একসঙ্গে পরিচালনার জন্য হাইকোর্ট আদেশ দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষ ২০২৩ সালে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নেয়, ফলে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারকাজ এগিয়ে নেওয়ার পথ সুগম হলো।