বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা চারটি রাজনৈতিক মামলায় সিলেটের আরও ছয় নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সোমবার (১৭ মার্চ) বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ তাদের ৬ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। একইসঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিলেটের দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—জকিগঞ্জের মানিকপুর গ্রামের সুলতান আহমদ, কলাদাপানিয়া গ্রামের সজল কুমার সিংহ, হাতধর গ্রামের ইকবাল আহমদ, দরগা বাহারপুর গ্রামের এটিএম ফয়সল ও পীরের চক গ্রামের শিমুল আহমদ।
এর আগে, রবিবার (১৬ মার্চ) একই মামলায় সিলেট আওয়ামী লীগের আরও ৩৬ জন নেতাকর্মী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পান। তাদের মধ্যে রয়েছেন জকিগঞ্জ প্রেস ক্লাব সভাপতি আবুল খায়ের চৌধুরী, জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ জি বাবর, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সজল বর্মণ এবং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আল আমিন আব্দুল্লাহ সুমন।
রবিবার হাইকোর্টের বিচারকরা জামিনপ্রাপ্ত ৩৬ জনকে ৮ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। শুনানিতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শারমিন রুবায়াত ইসলাম।
হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়া জকিগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল খায়ের চৌধুরী জানান, সোমবার আরও ৬ জনকে আগাম জামিন দেওয়া হয়েছে। এর আগের দিন আরও ৩৬ জন জামিন পেয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, “আমি রাজনৈতিক কোনো দলের সদস্য নই। কখনো মিটিং-মিছিলে অংশ নিইনি। শুধুমাত্র সত্য বলার কারণে মিথ্যা মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে বলে মনে করি।”